ভূমিপুত্র-৩: এখানে ওখানে মুদ্রাভাণ্ডার এই ত্রিপুরায়
মানস পাল
ভূমিপুত্র-৩: এই ত্রিপুরার ভৌগোলিক সীমার মধ্যেই এদিক সেদিক ছড়িয়ে আছে সেই প্রাচীন কালের , মানিক্য রাজবংশের চেয়েও বহু শতাব্দী আগের, বিভিন্ন ধরণের মুদ্রা– আমরা সেগুলি দেখতেও চাই নি , বা দেখলেও এগুলির গুরুত্ব চিন্তাই করিনি, অথচ মুদ্রা ইতিহাস রচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈজ্ঞানিক উপাদান। এই উপাদান আসল ভুমিপুত্রের সন্ধান দিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। তৎসঙ্গে আর একটা কথা মনে রাখতে হয় এই প্রাচীন কালের মুদ্রাগুলি যখন এই বর্তমান ত্রিপুরার ভৌগোলিক সীমা রেখায় আবিষ্কৃত হয় , তখনও আসলে ত্রিপুরী জনগণ আসাম হয়ে এই ত্রিপুরাতেই আসেন নি।
প্রাচীন ইতিহাসের সব কথা রাজাদের বংশলতিকা, রাজপ্রশস্তি বা কোনও রাজদরবারে রচিত ইতিহাস থেকে জানা যায় না। কখনও মাটির নিচে কয়েকশো বছর ধরে চাপা পড়ে থাকা কিছু মুদ্রা এমন কথা বলে, যা কোনও রাজকীয় ইতিবৃত্ত বলে না। দক্ষিণ ত্রিপুরার বিলোনিয়ায় পাওয়া বিপুল সংখ্যক রৌপ্যমুদ্রা—ইতিহাস ও মুদ্রাতত্ত্বের গবেষণায় যা Belonia Hoard নামে পরিচিত—ঠিক তেমনই এক সাক্ষ্য। ঠিক যেমন সাক্ষ্য দেয় কসবা থেকে পাওয়া বাংলার শক্তিশালী রাজা শশাঙ্কের সমতট বিজয়ের মুদ্রা ( অনুমানিকম ৬২০-৬২৫ খ্রিস্টাব্দ ) জিরানিয়া অঞ্চল থেকে পাওয়া সমতটের মুদ্রা ( ৭ম -৮ম শতাব্দী) .
ASI তো বটেই রাজ্যের প্রয়াত মুদ্রা বিশেষজ্ঞ জহর আচার্য যিনি প্রায় ১৮২ টি প্রাচীন মুদ্রা , বিভিন্ন পটারি , বা বহু শতাব্দী আগে হারিয়ে যাওয়া জিনিস রাজ্যের বিভিন্ন স্থান থেকে খুঁজে পেতে এনেছিলেন তিনিও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুদ্রা বিশেষজ্ঞ দের সঙ্গে এ বিষয়ে বেশ কিছু পেপার তৈরী করেছিলেন। সে বিষয়ে স্পেসিফিক উদাহরণ সহ পরে আলোচনা করা যেতে পারে।
মূল যে বিষয়টি এই মুদ্রা সংক্রান্ত আলোচনায় আনতে চেয়েছি সেগুলি খুব বিস্তৃত বিশদে বলতে গেলে পাঠক খেয়ে হারিয়ে ফেলবেন , ইন্টারেস্ট হারিয়ে ফেলবেন। তাই দু একটি স্পেসিফিক মুদ্রা বিষয়ে এই আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখছি।
প্রথমেই মনে রাখতে হবে , একটি রাজকীয় ( সরকারি ) মুদ্রা সেই রাজার সার্বভৌমত্ব / রাজ্য বিজয় যেমন প্রমান করে , ঠিক তেমনি প্রাপ্তিস্থানটি যে ওই রাজায় প্রভাবাধীন ছিল , বা রাজত্ব ছিল তাও প্রমান করে (ভারতের টাকা তো আর আমেরিকার বা পাকিস্তনের ভৌগোলিক বা রাষ্ট্রীয় এলাকায় চলবে না ). তৎসঙ্গে মুদ্রা প্রাপ্তি এটাও প্রমান করে এতদঞ্চলে মানুষের আনাগোনা , জনবসতি, বাজার , ব্যবসা , আদান প্রদান –অর্থাৎ একটি আঞ্চলিক মানুষের বাস –এবং সেটি বহুদিন ধরেই পাকাপোক্ত হবার কথা , কারণ বাজার যেমন একদিনে গড়ে উঠে না তেমনি মুদ্রা দ্বারা ব্যবসা করতে গেলেও একটি নিশ্চিত ও সংগঠিত বাজার কাঠামো দরকার।
এবং সেটা ছিল এখনকার বাঙালিদের পূর্বপুরুষদের যাঁরা এই জনপদে বাস করতেন , এই মুদ্রাভিত্তিক বাজার সভ্যতা তৈরী করেছিলেন। মনে রাখতে হবে মাণিক্যবংশের রাজাদের মধ্যে প্রথম মুদ্রা প্রচলন করেন রত্নমানিক্য ( ১৪৬৪) সালে। তার হাজার বছর আগেই বর্তমান ত্রিপুরার সমতলে মুদ্রা আবিষ্কৃত হয়েছিল যেগুলি মূলত সমতট / হরিকেল এইসব এখানকার বর্তমান বাঙালিদের পূর্বজদের রাজত্ব/ বাসস্থান ছিল।
জহর আচার্য জানাচ্ছেন বিলোনিয়ার বনকর , জোলাইবাড়ি, পশ্চিম পিলাক , বড়পাথর ,অমরপুর, উদয়পুরের তুলামুড়া , বক্সনগর , চড়িলাম, বিশালগড় , সেকেরকোট , জিরানিয়া, মান্দাই , তেলিয়ামুড়া ইত্যাদি স্থান থেকে প্রচুর হরিকেল মুদ্রা পাওয়া গেছে। এর অনেকগুলি তাঁর ব্যক্তিগত মিউজিয়াম রাজেন্দ্র কীর্তিশালাতে রয়েছে , আগরতলা মিউজিয়ামেও রয়েছে

প্রথমেই আসা যাক বিলোনিয়া মুদ্রা ভান্ডারের কথায়। :
বিলোনিয়ায় কয়েকটি নয়—কয়েকশো মুদ্রা আবিষ্কৃত হয়েছে , যেগুলিকে বলা হয় -Belonia Hoards .
একটা কথা স্পষ্ট করা দরকার —Belonia Hoard-এ মোট কতগুলি মুদ্রা ছিল, তার কোনও একক definitive catalogue এখনও সহজলভ্য প্রকাশিত সূত্রে পাওয়া যায় না। কিন্তু সংখ্যাটি যে কয়েকশো, সে বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক numismatic testimony রয়েছে। ( বেশ কিছু মুদ্রা দেখলাম অকশন ও রয়েছে )

https://oswal.auction/auction-bids.aspx?ano=OQAwAA==&lno=MgAwADkA
বিশ্ববিখ্যাত মুদ্রা বিশেষজ্ঞ Robert S. Wicks তাঁর ১৯৭৯ সালের বিখ্যাত গবেষণা “Bull/Trisula Coin Issues of the Fifth to Eighth Century from Arakan, Assam and Bengal”-এ তাঁর Class E coinage-এর আলোচনায় লিখেছিলেন যে B. N. Mukherjee-র তথ্য অনুসারে South Tripura district-এর Belonia subdivision-এ বিপুল সংখ্যক এই ধরনের মুদ্রা পাওয়া গিয়েছিল। Wicks-এর distribution table-এ Belonia-র ক্ষেত্রে উল্লেখ রয়েছে—“several hundred specimens.” ( Robert S. Wicks, ANS Museum Notes, Vols. 24–25 (1979), pp. 124–127; Class E discussion., B. N. Mukherjee, “Harikela and Related Coinages,” Journal of Ancient Indian History, Vol. 10 (1976–77), p. 167).
অর্থাৎ এটি দু-চারটি বিচ্ছিন্ন coin-find নয়। এখানে আমরা একটি প্রকৃত এবং বৃহৎ coin hoard-এর সামনে দাঁড়িয়ে আছি। কেমন ছিল সেই মুদ্রা? Wicks-এর বর্ণনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মুদ্রাগুলি সাধারণ Harikela coin-এর তুলনায় অস্বাভাবিক রকমের চওড়া এবং পাতলা—silver bracteate (একপিঠে ছাপযুক্ত পাতলা ধাতব মুদ্রা বা ফলক ) বা repoussé (উল্টো দিক থেকে ঠুকে ঠুকে ধাতুর পাতলা পাতের ওপর নকশা ফুটিয়ে তোলা ) ধরনের। Wicks এগুলির diameter প্রায় 48–53 mm বলে উল্লেখ করেন। পাতলা রুপোর sheet কেটে চাকতির মতো তৈরি করে সম্ভবত leather-এর মতো কোনও resilient surface-এর উপর রেখে die দিয়ে আঘাত করে এগুলি তৈরি করা হত।
বহু মুদ্রা কার্যত uniface—অর্থাৎ এক পিঠের bull এবং inscription এত পাতলা flan-এর উপর ছাপা হয়েছে যে তার impression অন্য পিঠেও চলে এসেছে। ( Wicks, “Bull/Trisula Coin Issues…”, pp. 124–127). পরবর্তী numismatic studies-এ এই broad thin coins-এর diameter প্রায় 5.0–5.5 cm হিসাবেও দেওয়া হয়েছে।
- N. Mukherjee Series II-র মধ্যে ওজন অনুসারে দুটি group চিহ্নিত করেছিলেন—একটির ওজন আনুমানিক 2.3800–3.3600 g, অন্যটির 1.9912–0.8392 g। পরবর্তী গবেষণাতেও এই broad, thin flan-কে earlier Harikela series থেকে পৃথক করা হয়েছে।
এই মুদ্রাগুলির প্রধান motif একটি কুঁজওয়ালা বা Brahmany bull। Wicks-এর description অনুযায়ী bull কখনও ডানদিকে, কখনও বামদিকে মুখ করে আছে। তাকে ঘিরে solid circle এবং beaded border। bull-এর উপরে তিন বা চার অক্ষরের inscription দেখা যায়। কোনও কোনও specimen-এ bull-এর পাশে crescent-ও রয়েছে।
Harikela-র broader coin tradition-এ অপর পিঠে একটি tripartite বা trisula-type symbol, সঙ্গে sun এবং crescent-এর মতো motif পাওয়া যায়। অর্থাৎ bull/trisula tradition-টি কোনও বিচ্ছিন্ন Belonia phenomenon নয়। এটি পূর্ববঙ্গ–Arakan অঞ্চলের একটি বৃহত্তর numismatic tradition-এর অংশ।
- N. Mukherjee এই broad bracteate coins-এর inscriptions-এর বিভিন্ন পাঠ প্রস্তাব করেছিলেন। তাঁর readings-এর মধ্যে ছিল—Veraka, Viraka, Piraka, Varita, Sivagiri এবং Jayagiri। ( B. N. Mukherjee, “Harikela and Related Coinages,” pp. 166–171).
“Vareke/Viraka/Birak” পাঠকে কখনও বর্তমান দক্ষিণ-পূর্ব Tripura–Bangladesh frontier-এর কোনও প্রাচীন settlement-এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। কিছু আধুনিক coin catalogue সরাসরি এটিকে Boxanagar-এর সঙ্গে identify করেছে।
পরবর্তী গবেষণায় Belonia-র আবিষ্কারের সময় নিয়েও আরও নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়। গবেষক Ratnabali Ray Sengupta লিখেছেন, South Tripura-র Belonia অঞ্চল থেকে Harikela, Viraka, Piraka এবং Jayagiri legend-bearing coins প্রায় 1978 এবং 1980–84 সালের মধ্যে তিনটি hoard-এ পাওয়া গিয়েছিল। তিনি Piraka-কে সম্ভাব্য Pilak হিসাবেও বিবেচনা করেছেন এবং এই coin finds-কে southern Tripura-র Harikela network-এর সঙ্গে যোগাযোগের evidence হিসাবে ব্যবহার করেছেন। এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর ফলে “Belonia Hoard” বলতে আমরা সবসময় একটি মাত্র আবিষ্কার বুঝব না; অন্তত একটি archaeological interpretation অনুযায়ী এখানে তিনটি hoard/find-group-এর কথা রয়েছে।
মুদ্রাগুলি কত পুরনো? এখানে একাধিক chronological layer রয়েছে। Earlier standard Harikela bull/trisula coinage-কে Wicks মূলত সপ্তম শতকের শেষভাগ থেকে অষ্টম শতকের মধ্যভাগের মধ্যে স্থাপন করেছিলেন। Mainamati-তে eighth-century archaeological level থেকে পাওয়া কয়েকশো Harikela coin তাঁর palaeographic এবং stylistic dating-কে সমর্থন করেছিল। কিন্তু Belonia-র broad, thin bracteates সম্ভবত আরও পরে পর্যন্ত চলেছিল। Wicks-এর পরবর্তী synthesis-এ বলা হয়েছে, standard Harikela issues-এর সঙ্গে এই bracteates একত্রে পাওয়া যায়নি; ফলে তিনি এগুলির একটি separate origin এবং later date-এর সম্ভাবনা দেখেছিলেন। circulation এমনকি দ্বাদশ বা ত্রয়োদশ শতক পর্যন্ত গড়াতে পারে বলেও তিনি সম্ভাবনা রেখেছেন। অন্যদিকে palaeographic studies Series II-কে মোটামুটি অষ্টম/নবম শতক থেকে দ্বাদশ/ত্রয়োদশ শতক পর্যন্ত বিস্তৃত করেছে।
অতএব Belonia-র broad Harikela-type silver coinage early-medieval period-এর একটি দীর্ঘস্থায়ী monetary tradition-এর প্রতিনিধিত্ব করে, যার সূচনা অষ্টম–নবম শতকের মধ্যে এবং কিছু series সম্ভবত দ্বাদশ–ত্রয়োদশ শতক পর্যন্ত চলেছিল। এখানেই Pilak-এর সঙ্গে যোগসূত্র
এবার মুদ্রাগুলিকে তাদের geographical context-এ বসানো যাক। Belonia থেকে খুব দূরে নয় Pilak। Pilak থেকে পাওয়া Buddhist এবং Brahmanical sculptures, terracotta, architectural remains এবং অন্যান্য antiquities মূলত early-medieval cultural horizon-এর অন্তর্গত। অন্যদিকে Belonia অঞ্চল থেকে পাওয়া যাচ্ছে কয়েকশো Harikela-type silver coin।
একদিকে archaeology। অন্যদিকে numismatics। দুটিকে পাশাপাশি রাখলে দক্ষিণ ত্রিপুরার সমতলভূমির একটি গুরুত্বপূর্ণ ছবি ফুটে ওঠে—এই অঞ্চল কোনও isolated cultural pocket ছিল না; এটি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গের বৃহত্তর cultural এবং monetary network-এর সঙ্গে যুক্ত ছিল।
Mainamati–Belonia connection এই বক্তব্য আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে Mainamati-র evidence সামনে রাখলে। Wicks উল্লেখ করেছেন যে Mainamati-র eighth-century level থেকে কয়েকশো Harikela coin পাওয়া গিয়েছিল। তাঁর মতে এই আবিষ্কার early Harikela coinage-এর palaeographic এবং stylistic dating-কে সমর্থন করে। ( Wicks, later synthesis, p. 205; original Harikela discussion based on his 1979 study)… অন্যদিকে Belonia থেকে পাওয়া যাচ্ছে কয়েকশো later broad bracteate।
অর্থাৎ— Mainamati/Comilla, Belonia , Pilak …এই geographical line-টিকে আর শুধু আধুনিক মানচিত্রের বিচ্ছিন্ন তিনটি জায়গা হিসাবে দেখা যায় না। অন্তত monetary এবং cultural circulation-এর ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে সম্পর্কের শক্তিশালী material evidence রয়েছে।
সুতরাং Belonia Hoard-এর evidence দিয়ে সবচেয়ে শক্তভাবে যা বলা যায় তা হল দক্ষিণ ত্রিপুরা Harikela monetary network-এর সঙ্গে যুক্ত ছিল। Belonia Hoard-এর প্রকৃত গুরুত্ব কোথায়? এর গুরুত্ব ঠিক এখানেই যে এটি literary tradition নয়। কোনও পরবর্তী রাজবংশের লেখা chronicle নয়। কোনও mythological genealogy নয়। এগুলি physical objects recovered from the soil of South Tripura।
আর সেই material evidence দেখাচ্ছে, early-medieval period-এ বর্তমান দক্ষিণ ত্রিপুরা এমন একটি monetary-cultural world-এর অংশ ছিল যার অন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলি ছিল Mainamati–Comilla এবং দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গের Harikela region। Pilak সেই ছবিতে archaeological dimension যোগ করছে।
Belonia যোগ করছে numismatic dimension। Mainamati, Boxanagar, Pilak যোগ করছে archaeological context-সহ coin circulation-এর আরও শক্তিশালী evidence। এই তিনটিকে পাশাপাশি রাখলে বর্তমান রাজনৈতিক সীমারেখা অনেকটাই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায়। আমরা দেখতে পাই একটি connected early-medieval cultural landscape।
Belonia-র মুদ্রা আমাদের মৌলিক একটি কথা বলে। তারা প্রমাণ করে যে বর্তমান দক্ষিণ ত্রিপুরার মাটিতে early-medieval southeastern Bengal-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ silver monetary tradition পৌঁছেছিল—এবং বিচ্ছিন্ন একটি coin হিসেবে নয়, শত শত মুদ্রার আকারে। তাই Pilak-এর বুদ্ধমূর্তি, অবলোকিতেশ্বর, terracotta ও Brahmanical sculpture-এর পাশে Belonia-র এই silver coins-গুলিকে রাখলে আমাদের সামনে শুধু একটি archaeological site নয়—একটি বৃহত্তর Samatata–Harikela–Pattikera–southern Tripura cultural-economic landscape-এর আভাস ফুটে ওঠে। এখানেই Belonia Hoard-এর প্রকৃত ঐতিহাসিক গুরুত্ব। এটি যোগাযোগ, circulation এবং economic-cultural integration-এর ক্ষেত্রে এটি দক্ষিণ ত্রিপুরার early-medieval history-র অন্যতম শক্তিশালী material evidence।
সমতট–হরিকেল এবং বর্তমান ত্রিপুরার প্রাচীন ইতিহাসের যোগসূত্র অনুসন্ধান করতে গেলে একটি নাম বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে সামনে আসে—জহর আচার্য (Jahar Acharjee)। বিশেষ করে মুদ্রাতাত্ত্বিক বা numismatic evidence-এর দিক থেকে তাঁর কাজ আমাদের আলোচনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখানে আর শুধু পরবর্তী যুগের কোনও রাজকাহিনি বা chronicle-এর উপর নির্ভর করতে হচ্ছে না; সামনে আসছে মাটির নিচ থেকে পাওয়া মুদ্রার মতো প্রত্যক্ষ বস্তুগত সাক্ষ্য। অথচ দুর্ভাগ্যের বিষয় হল তাঁর লেখা বই বা রিসার্চ পেপার নিয়ে এখানকার বাঙালিদেরই কোন আগ্রহ দেখা যায় না।

জহর আচার্যের এই বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল তাঁর সম্পাদিত ও সংকলিত গ্রন্থ History–Culture & Coinage of Samatata & Harikela, Vol. I। আগরতলার Raj-Kusum Prakashani থেকে ২০০৬ সালে প্রকাশিত বইটি ১৩৪ পৃষ্ঠার। International Centre for Study of Bengal Art-এর গ্রন্থাগারেও বইটি নথিভুক্ত রয়েছে এবং বিষয় হিসাবে একে নির্দিষ্টভাবে রাখা হয়েছে—“Numismatic and Sigillography — Coinage — Samatata and Harikela.”

সূত্র: Jahar Acharjee (ed./comp.), History–Culture & Coinage of Samatata & Harikela, Vol. I, Raj-Kusum Prakashani, Agartala, 2006, 134 pp.; International Centre for Study of Bengal Art Library Catalogue.
কিন্তু আমাদের আলোচনার ক্ষেত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ হল, বইটির introductory material-এ জহর আচার্য নিজেই জানিয়েছেন যে ত্রিপুরার বিভিন্ন জায়গা থেকে সমতটের মুদ্রা পাওয়া গেছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, উত্তর ত্রিপুরা বাদ দিয়ে রাজ্যের অন্য অংশে—এমনকি ধলাইয়েও—Samatata coin পাওয়া গেছে।
এই coin distribution-এর ভিত্তিতেই আচার্য আরও বড় একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন। তাঁর মতে, বর্তমান ত্রিপুরার একটি উল্লেখযোগ্য অংশের সঙ্গে Samatata এবং Harikela-র ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল; তাঁর নিজস্ব interpretation আরও এক ধাপ এগিয়ে—এই ভূখণ্ডের বড় অংশ একসময় Samatata এবং Harikela-র অধীনেও এসেছিল বলে তিনি মনে করেছিলেন।
এই প্রসঙ্গে আরও গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য তিনি দিয়েছেন। “Samatata” নাম বা legend-যুক্ত একটি রৌপ্যমুদ্রা তাঁর নিজের সংগ্রহেই ছিল।


এই একটি তথ্যই আমাদের অনুসন্ধানকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যায়। কারণ এখানে Samatata আর শুধু কোনও প্রাচীন geographical name নয়। একটি actual coin-এর গায়ে Samatata নামটি পাওয়া যাচ্ছে।
আর এই মুদ্রাটি শুধু কোনও ব্যক্তিগত সংগ্রহের অপ্রকাশিত specimen হিসাবেও থেকে যায়নি।
- N. Mukherjee ও Jahar Acharjee—একসঙ্গে Samatata coin নিয়ে গবেষণা
এখানেই আমরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি peer-reviewed numismatic trail পাই।
ভারতীয় মুদ্রাতত্ত্ব ও প্রাচীন ইতিহাসের বিশিষ্ট গবেষক B. N. Mukherjee এবং জহর আচার্য যৌথভাবে এই মুদ্রা নিয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন–B. N. Mukherjee & Jahar Acharjee, “A Coin With the Legend ‘Samatata’,” Numismatic Digest, Vols. 25–26, 2002, pp. 81–83.
অর্থাৎ “Samatata” legend-যুক্ত মুদ্রাটির গুরুত্ব শুধু জহর আচার্যের ব্যক্তিগত interpretation-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। সেটি specialist numismatic publication-এ B. N. Mukherjee-র সঙ্গে যৌথভাবে আলোচিত হয়েছে।
এর পরেও তাঁদের গবেষণা থেমে থাকেনি। দুই গবেষক আবার যৌথভাবে প্রকাশ করেন—
- N. Mukherjee & Jahar Acharjee, “Thin Coins of Samatata,” Numismatic Digest, Vols. 27–28, 2004.
আমাদের Samatata–Tripura আলোচনার জন্য এই দুটি paper-এর গুরুত্ব যথেষ্ট।
কারণ এখানে কোনও কয়েকশো বছর পরে লেখা রাজকাহিনি বা chronicle থেকে Samatata-র অস্তিত্ব অনুমান করা হচ্ছে না। এখানে আলোচনা হচ্ছে actual material evidence—coinage নিয়ে।
অর্থাৎ Samatata-র একটি নিজস্ব monetary tradition-এর প্রত্যক্ষ বস্তুগত সাক্ষ্য আমাদের সামনে আসছে।
Nicholas Rhodes-এর সঙ্গে একটি আশ্চর্য যোগসূত্র উল্লেখ করা যেতে পারে .. এই গবেষণার সঙ্গে প্রয়াত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন numismatist Nicholas G. Rhodes-এরও একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় যোগসূত্র রয়েছে। Rhodes “The Coinage of Samatata” নামে একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণাপত্র তৈরি করেছিলেন। ২০০৮ সালে তিনি সেই manuscript জহর আচার্যের কাছে পাঠিয়েছিলেন। পরে Oriental Numismatic Society-র প্রকাশনা থেকে জানা যায়, Rhodes-এর গবেষণায় ব্যবহৃত coin plates ইতিমধ্যেই জহর আচার্যের ২০০৬ সালের বইতে প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে সেগুলি রয়েছে—
“Samatata Debased Gold Coins,” Plates A & B, pp. 132–133. Jahar Acharjee (ed.), History–Culture & Coinage of Samatata & Harikela, Vol. I, 2006, pp. 132–133। Rhodes-এর পূর্ণাঙ্গ “The Coinage of Samatata” প্রবন্ধটি জহর আচার্যের পরিকল্পিত History–Culture & Coinage of Samatata & Harikela, Vol. II-তে প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যতদূর জানা যায়, সেই দ্বিতীয় খণ্ড আর প্রকাশিত হয়নি।
এই ঘটনাটিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর মাধ্যমে বোঝা যায়, Agartala-কে কেন্দ্র করে জহর আচার্য যে Samatata–Harikela numismatic research চালাচ্ছিলেন, তা কোনও বিচ্ছিন্ন local-history exercise ছিল না। তার সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্তরের specialist numismatist-দেরও প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ছিল।
শুধু Samatata নয়—Tripura coinage নিয়েও দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। ..জহর আচার্যের numismatic work শুধু Samatata–Harikela-তেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ত্রিপুরার Manikya coinage নিয়েও তাঁর স্বতন্ত্র গবেষণার দীর্ঘ record রয়েছে। ১৯৮৫ সালে তাঁর একটি গুরুত্বপূর্ণ paper প্রকাশিত হয় Jahar Acharjee, “Some Important and Rare Coins of Tripura,” Journal of the Numismatic Society of India, Vol. 47, 1985, pp. 49–51. এই paper-এ তিনি ত্রিপুরার Dhanya Manikya, Deva Manikya, Ananta Manikya, Mahendra Manikya এবং Jaya Manikya-র কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও দুর্লভ মুদ্রা নিয়ে আলোচনা করেন এবং সেগুলির illustration-ও দেন। এরপর ১৯৮৮ সালে D. C. Sircar commemoration volume-এ তাঁর আর একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়-Jahar Acharjee, “Two Exceptional Coins of Ratna and Mukut Manikya of Tripura,” 1988, pp. 248–251. Ratna Manikya-I-এর মুদ্রা নিয়েও তাঁর পৃথক গবেষণা রয়েছে-“A New Coin of Ratna Manikya-I.”
এই গবেষণাপত্রটি বর্তমানে North-Eastern Hill University (NEHU)-র digital repository-তেও সংরক্ষিত রয়েছে।
অর্থাৎ জহর আচার্যের Samatata–Harikela coin নিয়ে আগ্রহ কোনও হঠাৎ তৈরি হওয়া বিচ্ছিন্ন বিষয় ছিল না। তার পিছনে Tripura coinage নিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের specialist engagement ছিল। ২০০৬ সালের আগরতলা seminar—আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র
আর একটি বিষয় এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন। Oriental Numismatic Society-র report থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালে আগরতলায় “Coinage of Samata-Harikela” নিয়ে একটি বিশেষ seminar অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে যাঁরা গবেষণাপত্র বা scholarly contribution দিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে ছিলেন— B. N. Mukherjee, Susmita Basu Majumdar, Nicholas Rhodes, Suchandra Ghosh, Sayantani Pal, Jahar Acharjee এবং S. K. Bose। এই নামগুলির তালিকাই অনেক কথা বলে।
|Also Read : https://www.orientalnumismaticsociety.org/archive/ONS_189.pdf?utm_source=chatgpt.com |

অর্থাৎ Samatata–Harikela coinage নিয়ে জহর আচার্যের কাজকে নিছক কোনও স্থানীয় ইতিহাসবিদের isolated interpretation হিসাবে দেখা ঠিক হবে না। তিনি এমন একটি specialist scholarly circle-এর মধ্যে কাজ করছিলেন যেখানে ভারতের প্রতিষ্ঠিত numismatist ও ancient Bengal specialist-দের পাশাপাশি Nicholas Rhodes-এর মতো আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত numismatist-ও যুক্ত ছিলেন। জহর আচার্যের বক্তব্য ছিল, বর্তমান ত্রিপুরার একটি বড় অংশ একসময় Samatata এবং Harikela-র অধীনে ছিল।
এটি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ত্রিপুরার বিভিন্ন জায়গায় Samatata coin-এর distribution-এর ভিত্তিতে একজন Tripura-based numismatist এই historical interpretation-এ পৌঁছেছেন—এটা আমাদের আলোচনায় অবশ্যই উল্লেখযোগ্য।
কিন্তু একই সঙ্গে এটিও স্পষ্টভাবে বলতে হবে, ত্রিপুরার কোনও জায়গা থেকে Samatata বা Harikela coin পাওয়া গেলে আমরা খুব শক্তভাবেই বলতে পারি যে সেই অঞ্চলের সঙ্গে Samatata–Harikela monetary system-এর যোগাযোগ ছিল। বহু মুদ্রা পাওয়া গেলে economic circulation এবং regional integration-এর argument আরও শক্তিশালী হয়।
জহর আচার্যের evidence কেন আমাদের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ? কারণ তাঁর গবেষণাকে আমাদের বৃহত্তর evidence-chain-এর মধ্যে বসালে একটি আকর্ষণীয় ধারাবাহিকতা দেখা যায়।
একদিকে Gunaighar copper-plate আমাদের Samatata এবং প্রাচীন Tippera plains-এর পঞ্চম–ষষ্ঠ শতকের epigraphic geography-র দিকে নিয়ে যায়। তারপর আসে Mainamati–Lalmai-এর archaeological এবং numismatic evidence। বর্তমান ত্রিপুরার মধ্যে রয়েছে Boxanagar-এর বৌদ্ধ প্রত্নক্ষেত্র। দক্ষিণে Pilak-এর Buddhist–Brahmanical archaeological complex। আর সেই দক্ষিণ ত্রিপুরাতেই Belonia Hoard থেকে পাওয়া যাচ্ছে বিপুল সংখ্যক Harikela-type silver coin। এর পাশাপাশি জহর আচার্য জানাচ্ছেন, শুধু Belonia নয়—ত্রিপুরার আরও বিভিন্ন জায়গা, এমনকি Dhalai থেকেও Samatata coin পাওয়া গেছে।
আর তাঁর নিজের collection-এ ছিল সরাসরি “Samatata” legend-bearing silver coin, যেটি আবার B. N. Mukherjee-র সঙ্গে যৌথভাবে specialist numismatic journal-এ প্রকাশিত হয়েছে। এই evidence-গুলিকে একসঙ্গে রাখলে একটি বিষয় ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বর্তমান ত্রিপুরার সমতল অঞ্চলকে early-medieval southeastern Bengal-এর ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন কোনও দ্বীপের মতো দেখা কঠিন।
কিন্তু ঠিক কতটা ছিল political integration, কতটা economic integration, আর কতটা cultural interaction—এই তিনটি প্রশ্নকে আলাদা রেখেই আমাদের এগোতে হবে। জহর আচার্যের গবেষণার সবচেয়ে বড় মূল্য সম্ভবত এখানেই।
তিনি আমাদের হাতে এমন কিছু numismatic evidence তুলে দিয়েছেন, যা Samatata–Harikela এবং বর্তমান ত্রিপুরার সম্পর্কের প্রশ্নটিকে শুধু সাহিত্যিক tradition বা পরবর্তী chronicle-এর স্তর থেকে সরিয়ে এনে প্রত্যক্ষ material history-র স্তরে দাঁড় করিয়ে দেয়।
( জহর আচার্যের ব্যক্তিগত মিউজিয়াম রাজেন্দ্র কীর্তিশালাটির সব জিনিস তাঁদের পরিবার তাঁর মৃত্যুর পর আগরতলার সংস্কৃত কলেজে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে সৈকত আচার্য। ফলে শশাঙ্কের মুদ্রা হোক বা অন্যান্য পটারি সহ বিভিন্ন আর্টেফ্যাক্টস গুলি এখন সংস্কৃত কলেজে গেলে দেখতে পাওয়া যাবে। এছাড়া আর বহু মুদ্রা বর্তমানে আগরতলা মিউজিয়ামে , ঢাকা মিউজিয়ামে ও বৃটিশ মিউজিয়ামে ও শংকর বসু , জে পি গোয়েঙ্কা , ইন্দ্রকুমার কেজরিওয়াল-দেড় ব্যক্তিগত সংগ্রহে রক্ষিত আছে। অনেক মুদ্রা কয়েন ডিলারদের মাধ্যমে বাইরে চলে গেছে ও নিলামে রয়েছে )
|Also Read ভূমিপুত্র-২: ইতিহাসে হাঁড়িকুড়ি, খন্ডহর -ভাগ ৩ :https://tripuranet.com/%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a7%a8-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a1.html?fbclid=IwY2xjawUYsBNwZG9mBWV4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkEDIyMjAzOTE3ODgyMDA4OTIAAR5O9TkVutvHub_9G7TcvVuHIlUY4TTdYuZSZ2XEZ58dTyp22B28_P9WgIkseg_aem_Vlnd3LLAs1sFp55Ys89pag |
|Also Read : ভূমিপুত্র : প্রাচীন ত্রিপুরার বিশাল সমতলে এখনকার বাঙালিদের পূর্বজদেরই ছিল বসত -ভাগ ২ https://tripuranet.com/%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%aa.html?fbclid=IwY2xjawUYsFRwZG9mBWV4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkEDIyMjAzOTE3ODgyMDA4OTIAAR42cLM9WxgEnxNHYN08aGcEqT5gIvkPUYynJZoLggLJZYTrJyNpPPYtE5Zx7g_aem_2K6FyFXuqwZQerOIQlnssA
|Also Read : মাণিক্যদেরও আগে: সমতট, হরিকেল এবং ত্রিপুরার সমতলে বাঙালির পূর্বপুরুষদের পদচিহ্ন – ভাগ ১ https://tripuranet.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%9f-%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a6%bf.html?fbclid=IwY2xjawUYsItwZG9mBWV4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkEDIyMjAzOTE3ODgyMDA4OTIAAR78WYw1du3VsyGRo2HesAy0NfkeBx1ZT0jq6dbcTl11BArFEVrf4oWMzNDtvQ_aem_f2sPav0WcEPu96QWrQ8v5Q
কিছু সূত্র ও নির্দিষ্ট পৃষ্ঠা
Robert S. Wicks, “Bull/Trisula Coin Issues of the Fifth to Eighth Century from Arakan, Assam and Bengal,” American Numismatic Society Museum Notes, Vols. 24–25, 1979, pp. 124–127; বিশেষ করে variant readings সম্পর্কে p.125, note 33।
- N. Mukherjee, “Harikela and Related Coinages,” Journal of Ancient Indian History, Vol. 10, 1976–77, pp.166–171; Belonia find সম্পর্কে p.167; series-এর division সম্পর্কে p.170।
Robert S. Wicks, Money, Markets, and Trade in Early Southeast Asia—Harikela bracteates-এর আলোচনায় Belonia থেকে “several hundred specimens”, এবং standard Harikela issues থেকে তাদের পৃথক অবস্থান ও সম্ভাব্য later chronology নিয়ে আলোচনা।
- K. Bose & Noman Nasir, Early Coinage of Bengal (c. 2nd Century BC–10th Century AD): With Notes on Harikela and Ākara Coins by Nicholas G. Rhodes, Library of Numismatic Studies, Kolkata, 2016, 243 pp. ।
Ratnabali Ray Sengupta, “Redefining the Images from Rajarajeswari Asram of Muhuripur, Tripura: A Study in Iconography and Style,” Journal of Bengal Art, p.262—Belonia-য় Harikela, Viraka, Piraka ও Jayagiri coin finds, তিনটি hoard এবং Piraka–Pilak সম্ভাব্য identification-এর আলোচনা।
বিলুপ্ত রাজ্য সমতট ও হরিকেল এর ইতিহাসও সংস্কৃতি – জহর আচার্যী , ত্রিপুরা ইতিহাস প্রথম ভাগ -জহর আচার্যী, পুরাতনী ত্রিপুরা -জহর আচার্যী
ত্রিপুরা ফাইলস -ননীগোপাল দেবনাথ ( শিক্ষক)
To be Continued






